01752803260 doatalialimmadrasha@gmail.com EIIN :110992

দোয়াত আলী আলিম মাদরাসা

1998-06-22

এক নজরে দোয়াত আলী আলিম মাদ্রাসা

মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন  পৌর সভার অন্তর্গত বড় সৌরুন্ডী মৌজায় নয়াকান্দি ব্রীজ সংলগ্ন মানিকগঞ্জ সিংগাইর  রোডের পাশে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত দোয়াত আলী আলিম মাদ্রাসা। দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী বার বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত পৌর মেয়র জনাব মোঃ রমজান আলী তার প্রাণ প্রিয় পিতা জনাব মোঃ দোয়াত আলীর নামে ১৯৯৮ সালের ২২শে জুন প্রতিষ্ঠা করেন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দোয়াত আলী আলিম মাদ্রাসা। তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মানিকগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জনাব প্রফেসর মুহাম্মদ আলী আকবর, মানিকগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ  মাওলানা মুহাঃ মুসা এবং স্থানীয় জনগণের উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই মাদ্রাসাটি। মেয়র পরিবারের ইহকালীন শান্তি এবং পরকালীন মুক্তির একমাত্র উদ্দেশ্য লক্ষ্য নিয়ে এই মাদ্রাসার অগ্রযাত্রা শুরু হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিযুক্ত হন সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এবং প্রতিষ্ঠকালীন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় মেয়র রমজান আলী বাল্যবন্ধু জনাব এ.টি.এম শাহ্জাহান এড. মহোদয়কে। সভাপতি মহোদয় সাধারণ সম্পাদক এবং পরিচালনা পরিষদের সদস্যগণের সার্বিক সহযোগিতায় এবং এলাকাবাসীর অবদানের বিনিময়ে হাটি হাটি পা পা করে সামনে অগ্রসর হতে থাকে এই মাদ্রাসা। এলাকাবাসীর বাঁশের ঝাড়ের বাঁশ আর জিকাগাছের খুটি দিয়ে প্রথম স্থাপিত হয় এই মাদ্রাসা। কি যে এক করুন দৃশ্য এই মাদ্রাসার ইতিহাসের পাতায় ? ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় যখন সারাদেশ প্লাবিত এই মাদ্রাসার জমির উপর দিয়ে যখন অঘাতপানির স্রোত ঠিক  সেই সময় মানিকগঞ্জ জামে মসজিদের পেশ ইমাম জনাব মোঃ আব্দুল জলিল সাহেবের হাত দিয়ে বন্যার স্রোতের মধ্যে স্থাপন করা হয় এই মাদ্রাসার সাইন বোড। ১৯৯৯ সালের পহেলা জানুয়ারী খোলা আকাশের নীচে ঘরের চালাবিহীন  অবস্থায় শুরু হয় শ্রেণি কার্যক্রম। পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত এলাকার যুব সমাজ কাধে তুলে নেয় এই শ্রেণি কার্যক্রমের দায়িত্ব। সুপারিনটেনডেন্ট পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন বর্তমান অধ্যক্ষ জনাব মোঃ মতিউর রহমান এবং সহ-সুপার পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন বর্তমান উপাধ্যক্ষ জনাব মোঃ আব্দুল খালেক । এলাকার ‍কৃতি সন্তান মাওলানা এ.বি.এম আসাদুল্লাহ সাহেবের অনেক প্রচেষ্টায় প্রায় তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। ০১/০১/২০০০ সালে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক দাখিল ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের অনুমতি পাওয়া যায়। বোর্ড পরীক্ষায় ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় ০১/০১/২০০২ খ্রিঃ তাং প্রতিষ্ঠানটি বোর্ড কর্তৃক দাখিল পর্যয়ে একাডেমিক স্কীকৃতি লাভ করে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী জনাব ওসমান ফারুক এর সহযোগিতায় আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে ০১/০৫/২০০৪ খ্রিঃ তাং মাদ্রাসাটি দাখিল স্তরে এমপিও ভূক্ত হয়। মাদ্রাসার লেখাপড়ার মান চারদিকে ছড়িয়ে পরে। বোর্ড পরীক্ষায় ১০০% শিক্ষার্থী পাস ও জেলায় শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা হওয়ায় ১৭/০৮/২০১০ খ্রি তাং জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন ও পৌর মেয়র জনাব মোঃ রমজান আলীর উৎসাহে মাদ্রাসাটি দাখিল স্তর হতে আলিম স্তর খোলা হয়।০১/০৭/২০১২ খ্রি তাং মাদ্রাসাটি আলিম শ্রেণি খোলার অনুমতি পায়। পরপর তিন বছর মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল ভালো হওয়ায় ০১/০৭/২০১৬ খ্রি তাং মাদ্রাসাটি আলিম পর্যায়ে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়। এমপিও ভূক্তির সকল শর্ত পূরণ থাকায় ১২/০১/২০২৩ খ্রিঃ তাং প্রতিষ্ঠানটি আলিম পর্যায়ে এমপিও ভূক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানে বর্তমান পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী ও অবকাঠামো রয়েছে। সার্বিক বিবেচনা প্রতিষ্ঠানটি ২০২৩ সালে জেলা পর্যায়ে এবং ২০২৪ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে ।

 

বই

দর্শক